আজ মঙ্গলবার | ৭ই ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৩রা জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরি | ২২শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | হেমন্তকাল
বিজ্ঞপ্তি
  • সারাদেশে সংবাদদাতা ও বিঞ্জাপন প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। ই-মেইল করুন- hrd.nobojugantor@gmail.com
আক্রান্ত

সুস্থ

মৃত্যু

  • জেলা সমূহের তথ্য
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর | স্পন্সর - একতা হোস্ট
সাক্ষাৎকার কর্ণার

তুষার চলেছে…

সমাজকর্মী তানভীর আনজুম তুষার। সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচি উপজেলার এক পরিচিত মুখ। মানুষের বিপদে-আপদে যিনি সবসময় হাত বাড়িয়ে দেন। সমসাময়িক বিষয়ে তার সাক্ষাৎকার নিয়েছেন দিয়াত মাহমুদ শাকিল।

নব যুগান্তর: আপনি খেটে খাওয়া মানুষের পাশে দাড়ান, তাদের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন। আপনার এই পথে চলার শুরুটা ঠিক কবে থেকে, কিভাবে?

Advertisements

তুষার: আমার সাংগঠনিক পথচলার শুরু হয় বন্ধুদের নিয়ে ‘ক্রিয়েটিভ স্টুডেন্টস ফোরাম’ নামের একটি সংগঠন তৈরীর মাধ্যমে। শুরুতে আমরা মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ, কুইজ, ছড়া, বিতর্ক আর রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করি। তারপর খেটে খাওয়া দিনমজুর মানুষের পরিবার গুলোর  ঈদ, পূজো সহ বিভিন্ন উৎসবে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নিয়ে  নানা আয়োজন শুরু করি। এইভাবে অল্প কিছু উদ্যোগ এর মাধ্যমে আজকের এই বিস্তৃত পথচলা।

নব যুগান্তর: দীর্ঘ দিনের এই পথ চলায় আপনি সবচেয়ে বেশি অনুপ্রেরণা পেয়েছেন কাদের / কার কাছে থেকে?

Advertisements

তুষার: আমার দীর্ঘ এই সাংগঠনিক পথচলায় আমার পরিবারের সদস্য সহ ‘ভলান্টিয়ার বাংলাদেশ’ এর প্রধান সমন্বয়কারী আশরাফ আলী, বিবিডিএফ এর সভাপতি কামরুল হাসান সহ আন-নূর ফাউন্ডেশন এর চেয়ারপার্সন সাজেদা কোহিনূর আপুর অনুপ্রেরণা আর দিকনির্দেশনা পেয়েছি যা আমার আগামীর পথচলায় সব সময়ই অনুপ্রেরণা আর শক্তি যোগায়।

নব যুগান্তর: সুশিল মানুষ গুলো আপনাকে কতটুকু সমর্থক করে?

তানভীর আনজুম তুষার: বিভিন্ন কর্মসূচিতে নাগরিক ফোরাম এর নেতৃবৃন্দ সহ সুশীল সমাজ প্রতিনিধিরা আমাকে সহযোগিতার পাশাপাশি দিক নির্দেশনা দিয়ে সব সময় পাশে থাকে।

নব যুগান্তর: দীর্ঘ দিনের এই পথ চলায় আপনার অভিজ্ঞতার কথা বলুন।

তানভীর আনজুম তুষার: আট বছর এর বেশি সময় হলো সমাজ ও মানবাধিকার নিয়ে একদম প্রান্তিক জনগোষ্ঠী আর তরুণদের নিয়ে কাজ করছি। অভিজ্ঞতার ঝুলিতে অনেক কথাই তোলা আছে। আজ যখন আপনি প্রশ্ন করলেন তখন স্মৃতি হাতরে সুবিধাবঞ্চিত যে মানুষগুলোর পাশে দাড়িয়েছি তাদের অম্লান হাসিটাই নিজেকে সমৃদ্ধ করছে।

নব যুগান্তর: সুবিধা বঞ্চিত মানুষদের প্রতি আমাদের কর্তব্য কতটুকু বলে আপনি মনে করেন?

তানভীর আনজুম তুষার: সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের প্রতি দায়িত্ব বোধের জায়গা থেকেই প্রান্তিক এই মানুষদেরকে সমাজের মূলস্রোতের সাথে নিয়ে আসাই আমার কর্তব্য।

নব যুগান্তর: এখন পর্যন্ত আপনার প্রাপ্তি কতটুকু?

তানভীর আনজুম তুষার: সমাজ উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখায় “বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ স্মৃতি পদক ২০১৬”, বাংলাদেশ ব্লাড ডোনার্স ফোরাম এর পক্ষ থেকে দেশ সেরা সেচ্ছাসেবক সহ বিজয় ফাউন্ডেশন থেকে দেশসেরা সংগঠক  পদক পেয়েছি। এর পাশাপাশি অগণিত মানুষের ভালোবাসা শিক্ত করেছে আমায়।

নব যুগান্তর: বর্তমানে আপনি কি কি কাজ করছেন?

তানভীর আনজুম তুষার: বর্তমানে করোনা মহামারিতে বিপন্ন মানুষের পাশে দাড়াতে সিএসআর উইন্ডো বাংলাদেশ এর কাইন্ডনেস এ্যাম্বাসেডর এর পাশাপাশি সামাজিক সংগঠন গুলোর প্লাটফর্ম সোশ্যাল কম্বাইন্ড নেটওয়ার্ক এর সমন্বয়কারী হিসেবে কাজ করছি। করোনাতে জনসচেতনতার অংশ হিসেবে ২ লাখ ৫০ হাজার মানুষের মাঝে মাইকিং ও পোস্টারিং সহ ১২০০+ মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী তুলে দিয়েছি। পুষ্টিমান খাবার এর অংশ হিসেবে ৩০০ জন মায়ের হাতে তুলে দিয়েছি দুগ্ধ জাত খাদ্য। এছাড়াও প্রান্তিক চাষীদের লাভবান করতে স্থানীয় ভলান্টিয়ারদেরকে সাথে নিয়ে “অদম্য তরুণ চাষী” প্রকল্প চালিয়ে নিচ্ছি। আম্ফান মোকাবিলায় তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত জেলা গুলোতে ত্রাণ তৎপরতা চালানোর পাশাপাশি টেলিমেডিসিন ও পুনর্বাসন এর কাজ চলমান রয়েছে।

নব যুগান্তর: সুবিধা বঞ্চিত মানুষদের নিয়ে আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কি?

তানভীর আনজুম তুষার: সুবিধাবঞ্চিত মানুষদেরকে সমাজের মূলস্রোতের সাথে নিয়ে আসার জন্য তরুণদের সম্পৃক্ত করনের মাধ্যমে মানুষদেরকে স্বাবলম্বী হিসেবে গড়ে তুলে স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার মাধ্যমে মানবতার কল্যাণে আমৃত্যু কাজ করে যাওয়া।

নব যুগান্তর: দেশের তরুন সমাজের উদ্দেশ্যে আপনি কি বলবেন?

তানভীর আনজুম তুষার: তরুণরা আগামীর কান্ডারি। তরুণরা সকলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে গড়ে তুলবে সোনার বাংলা। শান্তির পথে তারুণ্যের অংশীদারিত্ব বাড়াতে অগ্রগতির মশাল হাতে তারুণ্যের প্রতিনিধি হয়ে মানবতার কল্যাণে সকলের অংশগ্রহণ করার আহ্বান জানাই।

নব যুগান্তর /সাগর 

বিষয়

*** 'নব যুগান্তর' সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আপনার ব্যক্তিত্ব প্রকাশ করে এবং এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ ***

6
খেলাপি ঋণ এক লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে- আপনি কি মনে করেন এই অর্থ উদ্ধারে সরকারের উদ্যোগ যথেষ্ট?

ধন্যবাদ! আপনার মন্তব্যের জন্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close