আজ মঙ্গলবার | ৭ই ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৩রা জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরি | ২২শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | হেমন্তকাল
বিজ্ঞপ্তি
  • সারাদেশে সংবাদদাতা ও বিঞ্জাপন প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। ই-মেইল করুন- hrd.nobojugantor@gmail.com
আক্রান্ত

সুস্থ

মৃত্যু

  • জেলা সমূহের তথ্য
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর | স্পন্সর - একতা হোস্ট
খুলনাস্বাস্থ্য

খুলনায় প্রতি সাড়ে ৪ লাখ মানুষের জন্য আইসিইউ ১টি!

খুলনা বিভাগে প্রতিদিনই বাড়ছে করোনা রোগীর সংখ্যা। করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির সঙ্গে দেখা দিয়েছে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) সংকটও। হাসপাতালগুলোতে করোনা রোগীদের জন্য কোনো আইসিইউ বেড খালি নেই।

খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, বিভাগের ১০ জেলার মধ্যে খুলনা, সাতক্ষীরা, যশোর ও মেহেরপুরে মাত্র ২৩টি আইসিইউ শয্যা আছে। যার মধ্যে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ডেডিকেটেট  হাসপাতাল) ১০টি শয্যা, সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ৮ টি, যশোর হাসপাতালে ৩ টি ও মেহেরপুরে ২ টি আইসিইউ শয্যা আছে।

Advertisements

সবশেষ আদম শুমারি অনুযায়ী, খুলনাসহ বিভাগের ১০ জেলার জনসংখ্যা প্রায় ১ কোটি ৫৭ লাখ। সব মিলিয়ে এ বিভাগে আইসিইউ রয়েছে ২৩টি। অর্থাৎ প্রতি ৪ লাখ ৫৯ হাজার ৫৬৫ জনের বিপরীতে রয়েছে একটি করে আইসিইউ শয্যা।

শয্যা সংখ্যার চিত্র যতটা ভয়াবহ তার চেয়ে আরও বেশি ভয়াবহ আইসিইউ পরিচালনার ক্ষেত্রে কার্যকরী ভূমিকায় থাকা অ্যানেসথেসিয়া চিকিৎসকদের। তিন জেলার সরকারি হাসপাতালে রয়েছেন মাত্র ৩ জন। সরকারি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে যখন এই দুরাবস্থা তখন বিভাগের বেসরকারি তিন হাসপাতালে অতিরিক্ত চিকিৎসা ব্যয় রোগীর স্বজনদের দুশ্চিন্তার প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

Advertisements

জানা যায়, বিভাগের খুলনা, সাতক্ষীরা ও মেহেরপুরে আইসিইউ সুবিধা রয়েছে। গত বছরে খুলনা বিভাগের একমাত্র করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে ১০টি বেডের আইসিইউ সেবা চালু করা হয়। এছাড়া হাসপাতালে আরও ২০টি শয্যার ব্যবস্থা করা হয়েছিলো। কিন্তু নিরবচ্ছিন্ন অক্সিজেন, ভেন্টিলেশন সাপোর্ট আর হাই ফ্লো নজেল ক্যানোলার ব্যবস্থা না হওয়ায় তা আর আলোর মুখ দেখেনি। ফলে বিভাগে আইসিইউর তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।

এদিকে বিভাগের ১০ জেলায় বেসরকারিভাবে করোনা রোগীদের জন্য খুলনার গাজী মেডিকেল, সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সাতক্ষীরার সিবি হাসপাতালে শয্যা রয়েছে ৫ টি করে। তবে সেখানে প্রধান অন্তরায় নিরবচ্ছিন্ন অক্সিজেন। অভিযোগ রয়েছে, করোনায় আক্রান্ত মুমূর্ষু রোগীরা আইসিইউর সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন পরিকল্পনা ও নীতি নির্ধারকদের সিদ্ধান্তহীনতায় কারণে।

খুলনা ব্লাড ব্যাংকের অর্থ সম্পাদক মো. আসাদ শেখ বলেন, হঠাৎ রোগীর পরিস্থিতি খারাপ হলে আইসিইউ সাপোর্ট প্রয়োজন হয়। কিন্তু হাসপাতাল গুলোয় আইসিইউর জন্য হাহাকার। ২০ শতাংশ করোনা রোগী হঠ্যাৎ করে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাদের জন্য আইসিইউ প্রয়োজন হলেও পাওয়া যায় না। যে হারে করোনা রোগী বাড়ছে সে হারে আইসিইউ সেবা না বাড়লে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।

করোনা পরিস্থিতি এবং আইসিইউ সংকট নিয়ে কথা হয় খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. রাশেদা সুলতানা সঙ্গে। তিনি  বলেন, করোনায় এ পর্যন্ত খুলনা বিভাগে ৫২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এখন পর্যন্ত বিভাগে ২৩টি আইসিইউ আছে। যা দ্রুতই বৃদ্ধি পাচ্ছে। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও নড়াইলে আইসিইউ সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে। বাগেরহাট সদর হাসপাতালেও আইসিইউ  স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।

নব যুগান্তর /এসএম

বিষয়

*** 'নব যুগান্তর' সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আপনার ব্যক্তিত্ব প্রকাশ করে এবং এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ ***

6
খেলাপি ঋণ এক লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে- আপনি কি মনে করেন এই অর্থ উদ্ধারে সরকারের উদ্যোগ যথেষ্ট?

ধন্যবাদ! আপনার মন্তব্যের জন্য।

এই বিভাগের আরো খবর পড়ুন>>>

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close