আজ মঙ্গলবার | ২৭শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১৭ই জিলহজ, ১৪৪২ হিজরি | ১২ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | বর্ষাকাল
বিজ্ঞপ্তি
  • পবিত্র ঈদ-উল ফিতর উপলক্ষে সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারক বাদ 🌙 ঈদ মোবারক 🌙
আক্রান্ত

১,১৭৯,৮২৭

সুস্থ

১,০০৯,৯৭৫

মৃত্যু

১৯,৫২১

  • জেলা সমূহের তথ্য
  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২,৭১৪
  • বরগুনা ১,০০৮
  • বগুড়া ৯,২৪০
  • চুয়াডাঙ্গা ১,৬১৯
  • ঢাকা ১৫০,৬২৯
  • দিনাজপুর ৪,২৯৫
  • ফেনী ২,১৮০
  • গাইবান্ধা ১,৪০৩
  • গাজীপুর ৬,৬৯৪
  • হবিগঞ্জ ১,৯৩৪
  • যশোর ৪,৫৪২
  • ঝালকাঠি ৮০৪
  • ঝিনাইদহ ২,২৪৫
  • জয়পুরহাট ১,২৫০
  • কুষ্টিয়া ৩,৭০৭
  • লক্ষ্মীপুর ২,২৮৩
  • মাদারিপুর ১,৫৯৯
  • মাগুরা ১,০৩২
  • মানিকগঞ্জ ১,৭১৩
  • মেহেরপুর ৭৩৯
  • মুন্সিগঞ্জ ৪,২৫১
  • নওগাঁ ১,৪৯৯
  • নারায়ণগঞ্জ ৮,২৯০
  • নরসিংদী ২,৭০১
  • নাটোর ১,১৬২
  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৮১১
  • নীলফামারী ১,২৮০
  • পঞ্চগড় ৭৫৩
  • রাজবাড়ী ৩,৩৫২
  • রাঙামাটি ১,০৯৮
  • রংপুর ৩,৮০৩
  • শরিয়তপুর ১,৮৫৪
  • শেরপুর ৫৪২
  • সিরাজগঞ্জ ২,৪৮৯
  • সিলেট ৮,৮৩৭
  • বান্দরবান ৮৭১
  • কুমিল্লা ৮,৮০৩
  • নেত্রকোণা ৮১৭
  • ঠাকুরগাঁও ১,৪৪২
  • বাগেরহাট ১,০৩২
  • কিশোরগঞ্জ ৩,৩৪১
  • বরিশাল ৪,৫৭১
  • চট্টগ্রাম ২৮,১১২
  • ভোলা ৯২৬
  • চাঁদপুর ২,৬০০
  • কক্সবাজার ৫,৬০৮
  • ফরিদপুর ৭,৯৮১
  • গোপালগঞ্জ ২,৯২৯
  • জামালপুর ১,৭৫৩
  • খাগড়াছড়ি ৭৭৩
  • খুলনা ৭,০২৭
  • নড়াইল ১,৫১১
  • কুড়িগ্রাম ৯৮৭
  • মৌলভীবাজার ১,৮৫৪
  • লালমনিরহাট ৯৪২
  • ময়মনসিংহ ৪,২৭৮
  • নোয়াখালী ৫,৪৫৫
  • পাবনা ১,৫৪৪
  • টাঙ্গাইল ৩,৬০১
  • পটুয়াখালী ১,৬৬০
  • পিরোজপুর ১,১৪৪
  • সাতক্ষীরা ১,১৪৭
  • সুনামগঞ্জ ২,৪৯৫
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর | স্পন্সর - একতা হোস্ট
অপরাধরংপুর

কুড়িগ্রামে মৃত ব্যক্তিকে জীবিত দেখিয়ে জমির দলিল সম্পাদন

কুড়িগ্রামের চর রাজিবপুর উপজেলায় ৩৫ বছর পূর্বের এক মৃত ব্যক্তিকে জীবিত দেখিয়ে জমির ভূয়া দলিল সম্পাদন হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং কুড়িগ্রাম আদালতে এ সংক্রান্ত একটি মামলা বিচারাধীন আছে। কুড়িগ্রাম সিআইডি পুলিশ আদালতে এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছে।

সংশ্লিষ্ঠ মামলার বাদী এবং পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কুড়িগ্রাম জেলার চর রাজিবপুর উপজেলার বদরপুর গ্রামের মৃত নজির হোসেনের স্ত্রী দৌলতন নেছা গত ৩৫ বছর আগে মারা যান। দৌলতন নেছা জীবিত থাকাবস্থায় তিনি ঐ গ্রামের তার অল্প পরিমান জমি প্রতিবেশী মজিবর রহমানের নিকট বিক্রি করেছিলেন।

Advertisements

দৌলতন নেছা মারা যাওয়ার কয়েক বছর পর ওই এলাকা নদী ভাঙ্গনের শিকার হলে, মৃত দৌলতন নেছার পরিবার একই উপজেলার বটতলা (কারিগরপাড়া) গ্রামে এবং মজিবর রহমানের পরিবার টাংগালিয়াপাড়া গ্রামে বসতি স্থাপন শুরু করেন।

মজিবর রহমানের ছেলে ইসমাইল হোসেন (৩২), সে তার মাতা জহুরা খাতুন (৬০)-কে ভূয়া দৌলতন নেছা সাজিয়ে দলিল লেখক মোঃ নূরুন্নবী (৩৬) মাধ্যমে গত ০৩/০২/২০২০ ইং তারিখ চর রাজিবপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে মৃত দৌলতন নেছা-র বদরপুর গ্রামের ৫০ শতক জমি নিজ (ইসমাইল) নামে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করে (বিতর্কিত দলিল নং-১৩১/২০)।

Advertisements

জমি রেজিস্ট্রেশনের পর ০৭/০২/২০২০ ইং তারিখ উক্ত জমির দখল নিতে গেলে বটতলা গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে আব্দুল করিম (৪৭) (অর্থাৎ মৃত দৌলতন নেছার নাতি) জমির দলিল-পত্র দেখতে চাইলে, ইসমাইল হোসেন উক্ত সদ্য দলিলকৃত জমির অনুলিপি দেখান এবং জমি জবর দখল করেন।

উক্ত দলিল ভূয়া অনুমান হ’লে আব্দুল করিম চর রাজিবপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে প্রাথমিক যাচাই করেন এবং ওই (ফেব্রুয়ারী) মাসেই সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত (চর রাজিবপুর উপজেলা, কুড়িগ্রাম)-এ আট জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন।

উক্ত মামলার অভিযোগটি যাচাইয়ের জন্য কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের গোয়ন্দা সংস্থা (সিআইডি)-র ওপর ন্যস্ত হয়। উক্ত মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সিআইডি পুলিশ পরিদর্শক এম এ ফারুক দীর্ঘ তদন্ত শেষে গত ০৬/০৭/২০২১ ইং তারিখ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত (চর রাজিবপুর উপজেলা) এর নিকট তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন।

মৃত দৌলতন নেছার নাতি ও উক্ত মামলার বাদী আব্দুল করিম জানান, চর রাজিবপুর উপজেলার বদরপুর গ্রামে আমার দাদীর নামীয় আমার পৈত্রিক সম্পত্তি বিক্রয়ের জন্য বদরপুর গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে ইসমাইল হোসেন (১নং আসামী), তার মাতা জহুরা খাতুন (২নং আসামী) এবং দলিল লেখক মোঃ নূরুন্নবী (৩নং আসামী) যৌথভাবে একটি ভূয়া দলিল সম্পাদন করে এবং উক্ত দলিল দেখিয়ে জোরপূর্বক জমি জবর দখল করেছে। আদালতের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের মাধ্যমে আমি উক্ত জমি ফেরত পেতে চাই।

কুড়িগ্রাম জেলা সিআইডি-র পুলিশ পরিদর্শক এম এ ফারুক জানান, সিআইডি-র ফরেনসিক বিভাগের ল্যাবরেটরিতে দৌলতন নেছা জীবিত অবস্থায় সম্পাদনকৃত জমির দলিলে আঙ্গুলের ছাপ এবং ০৩/০২/২০২০ ইং তারিখে সম্পাদনকৃত দলিলে দৌলতন নেছার আঙ্গুলের ছাপের মধ্যে মিল পাওয়া যায় নাই।

তিনি বলেন, কিন্তু উক্ত বিতর্কিত দলিলে দৌলতন নেছার আঙ্গুলের ছাপ এবং ১৫/০৩/২০২১ ইং তারিখে আদালতের সম্মুখে নেওয়া জহুরা খাতুনের (২নং আসামী) আঙ্গুলের ছাপের মধ্যে মিল পাওয়া গিয়েছে। আমি গত ০৬/০৭/২০২১ ইং তারিখ আমার তদন্তকৃত ও প্রস্তুতকৃত প্রতিবেদনটি বিজ্ঞ আদালতের নিকট জমা দিয়েছি।

নব যুগান্তর /এসএম

বিষয়

*** 'নব যুগান্তর' সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আপনার ব্যক্তিত্ব প্রকাশ করে এবং এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ ***

এই বিভাগের আরো খবর পড়ুন>>>

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close