আজ মঙ্গলবার | ১৫ই জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৫ই জিলকদ, ১৪৪২ হিজরি | ১লা আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | বর্ষাকাল
বিজ্ঞপ্তি
  • পবিত্র ঈদ-উল ফিতর উপলক্ষে সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারক বাদ 🌙 ঈদ মোবারক 🌙
আক্রান্ত

৮২৯,৯৭২

সুস্থ

৭৬৮,৮৩০

মৃত্যু

১৩,১৭২

  • জেলা সমূহের তথ্য
  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া ১,১৭৮
  • বরগুনা ২৪৬
  • বগুড়া ৩,৩০৭
  • চুয়াডাঙ্গা ২১২
  • ঢাকা ২৬,৩৩৫
  • দিনাজপুর ৬৭৫
  • ফেনী ৮৯২
  • গাইবান্ধা ২৮৮
  • গাজীপুর ৩,২৭০
  • হবিগঞ্জ ৬০৫
  • যশোর ৫৫৫
  • ঝালকাঠি ১৯৩
  • ঝিনাইদহ ১৬৫
  • জয়পুরহাট ৪৫৪
  • কুষ্টিয়া ৫৩৫
  • লক্ষ্মীপুর ৯৪৭
  • মাদারিপুর ৮৩২
  • মাগুরা ৯৭
  • মানিকগঞ্জ ৬০৩
  • মেহেরপুর ৫৯
  • মুন্সিগঞ্জ ১,৯৪৪
  • নওগাঁ ৫৫৯
  • নারায়ণগঞ্জ ৫,৩২৩
  • নরসিংদী ১,২৮০
  • নাটোর ২৪৪
  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ ১০১
  • নীলফামারী ৩৫৩
  • পঞ্চগড় ১৪৬
  • রাজবাড়ী ৫৬৩
  • রাঙামাটি ২৫৬
  • রংপুর ৯৮৩
  • শরিয়তপুর ৬৬৮
  • শেরপুর ২৪৯
  • সিরাজগঞ্জ ৬২৭
  • সিলেট ২,৭৫৮
  • বান্দরবান ৩১২
  • কুমিল্লা ৩,৮৬৪
  • নেত্রকোণা ৫৩৪
  • ঠাকুরগাঁও ২০৬
  • বাগেরহাট ১৬৬
  • কিশোরগঞ্জ ১,০৮৩
  • বরিশাল ১,৫৫৭
  • চট্টগ্রাম ৮,০৩৫
  • ভোলা ৩০৩
  • চাঁদপুর ১,০৩৫
  • কক্সবাজার ২,৫০৬
  • ফরিদপুর ২,৪৪৪
  • গোপালগঞ্জ ৭৯৯
  • জামালপুর ৫৪২
  • খাগড়াছড়ি ২৩৭
  • খুলনা ১,৭৮৬
  • নড়াইল ১৫৩
  • কুড়িগ্রাম ১৪৯
  • মৌলভীবাজার ৪১৪
  • লালমনিরহাট ১২৬
  • ময়মনসিংহ ১,৮৮৯
  • নোয়াখালী ২,২৬৪
  • পাবনা ৪৭৪
  • টাঙ্গাইল ৬৬৯
  • পটুয়াখালী ৪৩১
  • পিরোজপুর ২১৪
  • রাজশাহী ১,০৮৫
  • সাতক্ষীরা ১৫৯
  • সুনামগঞ্জ ৯৫৯
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর | স্পন্সর - একতা হোস্ট
ফিচার

আগে ভরসা নাকি কাজ করতে হবে?

যে কোন কাজে আগে ভরসা করতে হবে নাকি কাজ করতে হবে? অবশ্যই আগে কাজ করতে হবে তারপর ভরসা। 

যেমন ধরুন, কালকে আপনার পাবলিক পরীক্ষা শুরু হবে। এখন যদি আপনি সারাবছর পড়ালেখা না করে থাকেন তাহলে কি আপনার এই ভরসা করা নিতান্তই বোকামী ছাড়া আর কিছু হবে? যে ইনশাআল্লাহ আগামীকাল পরীক্ষায় আমি সব প্রশ্নের উত্তর ঠিকঠাক দিয়ে আসবো!

Advertisements

রসূল (সাঃ) এর যুগে একবার এক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করলো, হে আল্লাহর রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। আমি কি উষ্ট্রী বেঁধে আল্লাহর উপর ভরসা করবো, না বন্ধনমুক্ত রেখে। মহানবী হজরত মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি বললেন, “তোমার উট বাঁধো এবং ভরসা করো” (তিরমিযি)

এখানে আপনি আগে উট বাঁধার কথাটাকে পরীক্ষার আগের প্রস্তুতি এবং পরে ভরসা করা কে পরীক্ষার পূর্বমুহূর্ত ধরে একটু খেয়াল করে দেখুন: ব্যাপারটা ঠিক একই রকম।

Advertisements

এইক্ষেত্রে এখন একটা প্রশ্ন উত্থাপিত হতে পারে, যে মানুষ যখন খারাপ কাজ করে তখন এর জন্য দায়ী কে হবে? ঈশ্বর নাকি ব্যক্তি? যেহেতু ব্যক্তির ভাগ্য আগে থেকেই লিপিবদ্ধ রয়েছে। একটা কথা মনে রাখবেন। তাকদীর হচ্ছে আল্লাহর সৃষ্টি। অতএব যে তাকদীরকে দোষী সাব্যস্ত করলো সে যেন স্বয়ং আল্লাহকেই দোষী সাব্যস্ত করলো।

ধরুন, কোন ব্যক্তি যদি সিগারেট খাওয়ার ফলে অসুস্থ হয়ে যায়। তাহলে এক্ষেত্রে আপনি এই অসুস্থতার জন্য তাকে দায়ী করবেন? সিগারেট না ব্যক্তিকে? অবশ্যই ব্যক্তিকে করবেন। কেননা প্রতিটি সিগারেটের গায়ে লিখা থাকে যে, “ধুমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর”।

এছাড়াও বর্তমানে বিভিন্ন ব্যানার, ফেস্টুনে এর ক্ষতিকর দিক তুলে ধরা হয়েছে। অতএব যারা সিগারেট খায় তারা অবশ্যই এর ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে অবগত আছে এবং তারা জেনেশুনেই নিজের ক্ষতিকে আলিঙ্গন করছে। এক্ষেত্রে সিগারেট নয় বরং ব্যক্তি নিজেই দায়ী। যেহেতু সে এর ফলাফল সম্পর্কে জানতো। আর তাকে তো নিষেধও করা হতো। 

ঠিক তেমনি ভাবে আল্লাহ স্রষ্টা হিসেবে তাঁর বান্দাদের তিনি সকল বিষয় সম্পর্কে অবগত করে দিয়েছেন। এখন যদি কেউ অন্যায় কাজ করে তাহলে এক্ষেত্রে আল্লাহ বা ভাগ্যকে দোষারোপ করা বোকামী ছাড়া আর কিছুই না। তিনি স্রষ্টা হিসেবে শুধু মানুষকে কাজ করার শক্তি দিয়ে থাকেন। আর ভালো-মন্দ অনুধাবন করার জন্য তো তাদেরকে জ্ঞান দেওয়া হয়েছে। যেমন সিগারেট কোম্পানিরা সিগারেটের গায়ে জ্ঞান লিখে দেয়, “ধুমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর” বলে।

একটু খেয়াল করে দেখুন, যারা সিগারেট খায় তারা কিন্তু স্বইচ্ছায় খায়। আর যারা অন্যায় কাজ করে তারাও কিন্তু স্বইচ্ছায় অন্যায় কাজ করে। অতএব যারা সিগারেট খায় আর অন্যায় কাজ করে তারা উভয়ই কিন্তু নিজ বিবেচনায় এইসব করে থাকে।

এখন যারা সিগারেট খায় এটা তাদের নিজস্ব অর্জন আর যারা অন্যায় কাজ করে এটাও তাদের নিজস্ব অর্জন। এখন আমাকে বলুন, সিগারেট খাওয়ার কারণে যদি সিগারেটকে দোষারোপ করা না হয় তাহলে বান্দা অন্যায় করার কারণে আল্লাহ বা ভাগ্যকে কেন দোষারোপ করা হবে? যেহেতু আগ থেকেই সবাইকে সর্তক করা হয়েছে। একটা কথা মনে রাখবেন, পৃথিবীতে মানুষ ততটুকুই পায়, যতটুকুর জন্য সে চেষ্টা করে থাকে। 

মহান আল্লাহ তা’য়ালা বলেন, “আর এই যে, মানুষ তাই পায় যা সে করে। আর এই যে, তার কর্ম অচিরেই দেখানো হবে। অতঃপর তাকে দেওয়া পূর্ণ প্রতিদান” (সূরা নাজম,৩৯-৪১) 

সহজ করে বললে, আগুন দিয়ে তো অনেক কাজই করা যায়। এখন প্রশ্ন হলো এই আগুন ব্যবহারের কারণে আপনি যদি ক্ষতিগ্রস্ত হোন, তাহলে আপনি কাকে দায়ী করবেন: আগুনকে না নিজেকে? অবশ্যই নিজেকে। যেহেতু আপনি আগুন সম্পর্কে জেনেও অসতর্ক ছিলেন। 

আল্লাহ ভালো-মন্দ সবকিছুর জ্ঞানই মানুষকে দিয়েছেন, যে যা ব্যবহার করবে তা তার নিজস্ব অর্জন হিসেবে বিবেচিত হবে। যেহেতু তিনি ভালো-খারাপ উভয় পথের দিশা দিয়েছেন। 

যেমন মহান আল্লাহ তা’য়ালা বলেন, “আমি তাকে পথের দিশা দিলাম, কৃতজ্ঞতার পথ অথবা কুফরির পথ” ( সূরা আদ-দাহর, ৩)

“আমি তাকে দু’টি পথেরই সন্ধান দিলাম” (সূরা আল-বালাদ)

“শপথ মানুষের এবং তাঁর, যিনি তাকে সুঠাম করেছেন, অতঃপর তাকে তার অসৎকর্ম ও সৎকর্মের জ্ঞান দান করা হয়েছে ” (সূরা শামস্, ৭-৮)

“যে সৎকর্ম করবে তা তো তার নিজেরই জন্য। আর যে অসৎকর্ম করবে তাও তারই জন্য। আর আপনার প্রভু তাঁর বান্দাদের প্রতি অত্যাচারী নন”( হামীম-সাজদাহ্, ৪৬)

“যে তার মনকে পরিশুদ্ধ করেছে সেই সফল হয়েছে। আর যে তার মনকে গ্লানিময় করেছে সে বিফল হয়েছে ” (সূরা শামস,৯-১০)

“মানুষের কৃতকর্মের কারণে জলে এবং স্থলে বিপর্যয় ছড়িয়ে পড়ে, যার ফলে তিনি তাদেরকে তাদের কোন কোন কর্মের স্বাদ আস্বাদন করান। যাতে তারা সঠিক পথে ফিরে আসে” (সূরা রূম,৪১)

এখন যদি প্রশ্ন করা হয় আমাদের কি বিবেকের স্বাধীনতা আছে? তাহলে উত্তরে আসবে; অবশ্যই আছে। আর হ্যাঁ, এই স্বাধীনতা আছে বলেই তো আমরা ভালো-মন্দ উভয় কাজ করে থাকি।

এখন বলুন এই ভালো-মন্দের সৃষ্টিকর্তা কে? অবশ্যই আল্লাহ। যেহেতু তিনি উভয়ের সৃষ্টিকর্তা। সেহেতু তিনি ভালো কাজে বান্দাকে যে ভাবে শক্তি দিয়ে থাকেন খারাপ কাজেও তো দিয়ে থাকবেন নাকি?

হ্যাঁ তিনি দিয়েই থাকেন। আপনারা সবাই জানেন  দোয়ার দ্বারা ভাগ্য পরিবর্তনের কথা। ভালো কাজ করতে গেলে যেমন মানুষ আল্লাহর কাছে সাহায্য চায় ঠিক তেমনি ভাবে খারাপ কাজেও কিন্তু মানুষ নিজের অজান্তেই আল্লাহর কাছে সাহায্য চেয়ে থাকে।

এখন কথা হচ্ছে, যারা জেনেশুনেও ভালো পথে আসলো না তারা ব্যর্থ। তারা নিজেদের কারণেই তো ব্যর্থ হলো নাকি? অবশ্যই। এখন তাদের এই ব্যর্থতার কারণে কি আল্লাহকে বা ভাগ্যকে দোষারোপ করা যাবে? কখনোই না। “মনে রাখবেন আল্লাহ ছাড় দেন কিন্তু ছেড়ে দেন না”

লেখক- আফিফ উদ্দিন শাওন

বিষয়

*** 'নব যুগান্তর' সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আপনার ব্যক্তিত্ব প্রকাশ করে এবং এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ ***

এই বিভাগের আরো খবর পড়ুন>>>

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close